এটা একটা শিক্ষনীয় গল্প। এই গল্পের সমস্ত চরিত্র কাল্পনিক। যদি বাস্তবের সাথে এর কোনও মিল খুঁজে পান তাহলে তা অনিচ্ছাকৃত এবং কাকতালীয় ঘটনা মাত্র

একটা ছিলো আজব জঙ্গল। আজব কেন বলছি? তার কারণ, সে জঙ্গলে বাঘ ও সিংহ ছিলো না। ছিলো শেয়াল, নেকড়ে ও অন্যান্য তৃণভোজী প্রাণী। তবে শেয়াল ছিলো নেকড়ের তুলনায় অনেক বেশি এবং নেকড়ে দলের প্রধান বন্দী ছিলো শেয়ালের কাছে। এজন্য নেকড়ে ভয়ে শেয়ালের সঙ্গে যুদ্ধে নামতো না। জঙ্গলে শেয়ালের ছিলো একচ্ছত্র আধিপত্য। তাই সে জুলুম করতে লাগলো জঙ্গলের প্রাণীদের ওপর।
একটা সময় তৃণভোজী প্রাণিকুল চিন্তা করলো এভাবে আর কদিন চলবে। শেয়াল কে থামানো দরকার। তারা একত্রিত হলো, আন্দোলনে নামলো, যুদ্ধ ঘোষণা করলো জালিম শেয়ালের বিরুদ্ধে। শেয়াল ক্ষমতায় থেকে হত্যা করতে লাগলো আন্দোলনকারীদের। কিন্তু পিছু হটছে না আন্দোলনকারীরা। এদিকে নেকড়ে ঘোষণা দিলো আমরা এই আন্দোলনের সাথে জড়িত নই। কারণ নেকড়ে ভয়ে ছিলো এজন্য যে, হয়তো শেয়াল আবার তাদের উপর চড়াও হবে এই আন্দোলনে জড়িত থাকার জন্য। এদিকে আন্দোলনকারীরা সামনের দিকে অগ্রসর হতে লাগলো এবং একটা সময়ে শেয়াল পালিয়ে গেলো জঙ্গল ছেড়ে। তৃণভোজী প্রাণিকুল অর্জন করলো স্বাধীনতা। চারিদিকে উচ্ছাস, আনন্দ।
এবার নেকড়ে বেরিয়ে এলো লুকায়িত স্থান থেকে। তাদের দাবি এই স্বাধীনতার অংশ তারাও। তাদের দলনেতা মুক্তি পেলো। নেকড়ের দল বললো, “আমাদের শাসক হিসেবে নির্বাচিত করুন,আমরা কথা দিচ্ছি আমরা মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকবো। আমরাও তৃণভোজী হবো।” এদিকে যারা এই আন্দোলনের সাথে সরাসরি জড়িত, যারা প্রাণ দিয়েছে, তারা চায় পরিবর্তন এবং জঙ্গলে শান্তি নেমে আসুক।
এখন আপনারা মানুষেরা কী চান বলুন তো; জঙ্গলে শান্তি নেমে আসুক, নাকি নেকড়ের দলকে সুযোগ দিবেন, যারা বলেছে মাংস খাওয়া ছেড়ে তৃণভোজী হতে চায়?
“Wow! The way you explored the theme of story was incredibly powerful. I felt a genuine connection to Bangladesh Politics, and the ending truly resonated with me. This is a story I’ll be thinking about for a long time.”
Thank you.
Very Nice story!